পৃষ্ঠাসমূহ

প্রবন্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রবন্ধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

প্রবন্ধ

দলীয় সরকারের অধীনে এবং স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে বিজয়ী হয়েও তত্ত্বাবধায়ক চায় বিএনপি!

রতনতনু ঘোষ, ০৯ জুলাই, এবিনিউজ : আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট সরকারের অধীনে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে একের পর এক বিজয়ী হয়েও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চায় বিএনপি। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল মান্নান ৫০টি অভিযোগ করার পরও বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। ক্ষমতাসীন দলের পরাজিত প্রার্থী ফলাফল মেনে নিয়েছেন। কিন্তু বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগী ও বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ না দিয়ে বরং আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি করেছেন। নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করেছে। নির্বাচনে বিজয়ের আগেই বিএনপি মহাসচিব ঘোষণা করেছেন, বিএনপি প্রার্থী পরাজিত হলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। জনগণ যাকে ভোট দেয় সেই বিজয়ী হয়। তিনি ফলাফল ঘোষণার আগেই প্রধান বিরোধী দলের একজন মহাসচিব হিসেবে এধরনের হুমকি দিয়ে কতটুকু গণতান্ত্রিক মানসিকতার পরিচয় দিলেন তা বিবেচ্য বিষয়। এই নির্বাচন মনিটরিং করার জন্য বেগম খালেদা জিয়া তত্ত্বাবধান করেছেন এবং আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতৃবৃন্দ প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। অথচ এটি হলো স্থায়ী পর্যায়ের নির্দলীয় নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন দুই প্রধান দলের নেতৃবৃন্দের উপর এ বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দিবেন জনগন এটা আশা করেছিল।

আজকের সত্য আগামী দিনে মিথ্যা প্রমাণিত হবে : রতনতনু ঘোষ

বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতিতে উত্তরাধুনিক ধারণাটির কোনো সচেতন প্রয়োগ অথবা ব্যবহার কী আপনি চিহ্নিত করতে পেরেছেন ?
রতনতনু ঘোষ : বাংলাদেশের সাহিত্য-সংস্কৃতি অনেক ব্যাপক ও বহুমুখি। আমরা আবহমান বাংলা ও যুক্তবঙ্গ পেরিয়ে পূর্ববাংলা এবং পূর্ববাংলা পেরিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জন করেছি। বিগত ৪৩ বছর ধরে বাংলাদেশের সাহিত্যের বিকাশ ও বিস্তার ঘটে চলেছে। বৃটিশ পূর্ববর্তী ও পরবর্তী, ‘৪৭-এর পূর্বে ও পরে আর্থ-রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবণতাসমূহ বাংলাদেশের সাহিত্যকে নিয়ন্ত্রিত ও বিকশিত করেছে। বাংলাভাষা বাঙালীর ঐতিহ্য, উত্তরাধিকার, সংগ্রাম ও স্বপ্নকে বহন করে চলেছে। অথচ এ ভাষাকে নিয়ে বির্তক চলেছে যে, এটি হিন্দুর ভাষা, মুসলমানের নয়। কবি আব্দুল হাকিম বাংলাভাষা-দ্রোহীদের বিরুদ্ধে বলতে বাধ্য হয়েছিলেন : ‘যে জন বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী/সে জন কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি !’